Code of Conduct for Students

Students are admitted to college after passing their 10+2 exam. They become adult completing the age of eighteen years and from now they have to prepare themselves for being financially independent in future as well as to bear the responsibilities of their families as well as society in future. The college offers opportunities of self development through inculcating human values, ethics, spirit of team work, leadership etc along with pursuing their study to attain highest level as far as possible. All these will lead to their personality development and ultimately helps the girls to achieve the goal. Hence to promote peaceful and joyful learning atmosphere in college students must obey the discipline of the college.



Students would
  1. abide by rules and regulations of the college and respect its vision, mission, cultural practices and the traditions.

  2. stay in college with the joyful learning experience.

  3. maintain the highest standards of academic integrity while presenting own academic work.

  4. remain punctual, disciplined and regular in attending classes.

  5. observe modesty in their overall appearance(dress, hair style, make ups) and behaviour.

  6. behave with dignity and courtesy with teachers, staff and fellow students.

  7. contribute towards cleanliness of the campus and surroundings. Do not through waste paper and plastic here and there except dustbins.

  8. respect and care for the institutional properties.

  9. be honest in providing only truthful information on all documents.

  10. strive to keep campus ragging free.

  11. maintain good health and refrain from any kind of intoxicants.

  12. follow the notices regularly given by the departments and Principal’s office. They should not work after receiving verbal information from a fellow student

  13. Water is precious. So do not waste water at the time of collecting drinking water and using toilet blocks in college. They should be conscious about it at their home also and spread the message to save water.

  14. Be careful about the greenery of college. They should always remain conscious to save environment and try to implant saplings in and around their home.

  15. not use mobile phones in corridors of college buildings.

  16. guide the junior students to follow the regular co-curricular and extra curricular activities.

  17. Be sensitive to the needs of society.

শিক্ষার্থীদের আচরণবিধি :-

উচ্চমাধ্যমিক (10+2) উত্তীর্ণ হয়ে যে সমস্ত শিক্ষার্থীরা এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশাধিকার পেয়েছো, তারা অবশ্যই অষ্টাদশ বর্ষ পূর্ণ করে প্রাপ্ত বয়সে উত্তীর্ণ হয়েছো। এখন তোমরা তোমাদের আগামী জীবনরেখা এমনভাবে তৈরি করো যাতে অর্থনৈতিক দিক থেকে স্বনির্ভর হতে পারো এবং ভবিষ্যতে  পারিবারিক ও সামাজিক দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম হও।

নীতি ও নৈতিকতাবোধ সম্পন্ন হওয়া, সংঘবদ্ধভাবে কাজ করার তীব্র প্রবণতা, দলীয় নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা অর্জন ইত্যাদি মূল্যবান দিকগুলির মাধ্যমে এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তোমাদের স্বনির্ভর হওয়ার সুবর্ন সুযোগ করে দিচ্ছে, যার দ্বারা পরবর্তীকালে উচ্চশিক্ষা লাভের জন্য সচেষ্ট হতে পারবে ও সাফল্য আসবে। এতে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর বেক্তিসাতন্ত্রবোধ বর্ধিত হবে এবং পরিশেষে চূড়ান্ত সাফল্য অর্জন করবে। অবশ্য প্রত্যেক শিক্ষার্থী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরের নিয়মানুবর্তিতা সচেতনভাবে পালন করে, তবেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শান্তিময় সুন্দর আনন্দপূর্ণ পরিবেশের মাধ্যমে যথার্থ জ্ঞান লাভে সক্ষম হবে ও নিজেকে উন্নত করতে পারবে সর্বদা সর্বত্র।

শিক্ষার্থীদের অবশ্য করণীয় :-

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ নিয়মাবলী, দূরদৃষ্টিসম্পন্ন বিশেষ কার্য, ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক অভ্যাসগুলি পালন করতে হবে।

 

  • আনন্দদায়ক শিক্ষালাভের অভিজ্ঞতার মাধ্যমে প্রত্যেক শিক্ষার্থী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত থাকবে।

 

  • নিজস্ব জ্ঞানগর্ভ কর্মকে উপস্থাপনার সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত ন্যায়পরতাকে উচ্চতর আদর্শের সঙ্গে বজায় রাখতে হবে।

 

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিটি শ্রেণীকক্ষে নিয়মিত উপস্থিত থেকে শিষ্ঠাচার ও নিয়মানুবর্তিতা পালন করতে হবে।

 

  • প্রত্যেক শিক্ষার্থীর সার্বিক হাবভাব ও আচরণ দৃষ্টিনন্দন সুলভ হতে হবে(বিশেষ করে পোশাক-পরিচ্ছদ , কেশবিন্যাস, সাজসজ্জার ক্ষেত্রে)

 

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রত্যেক শিক্ষক, শিক্ষিকা, শিক্ষাকর্মী বন্ধু এবং সহপাঠীদের সঙ্গে সম্মানজনক শিষ্ট আচরণ করতে হবে।

 

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রাঙ্গন এবং তার পার্শ্ববর্তী এলাকার পরিচ্ছন্নতা এবং স্বচ্ছতার লক্ষ্যে নিজেকে ব্রতী করতে হবে। বাজে কাগজ এবং প্লাস্টিক যত্রতত্র না ফেলে, নির্দিষ্ট পাত্রে ফেলতে হবে।
  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিষয়-সম্পত্তির প্রতি যত্নশীল ও শ্রদ্ধাবান হতে হবে।

 

  • একমাত্র সত্য অভিযোগ সমস্ত তথ্য-প্রমান সহ অকপটে দাখিল করতে হবে।

 

  • ৱ্যাগিং মুক্ত সুস্থ পরিবেশ রক্ষার্থে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।

 

  • সুস্বাস্থ্য বজায় রাখা এবং যেকোনো প্রকার মাদকদ্রব্য সম্পর্কিত বিষয় থেকে বিরত থাকতে হবে।

 

  • অধ্যক্ষমহোদয়ের কার্যালয় এবং বিভাগের দেওয়া বিজ্ঞপ্তি প্রতিদিন অনুসরণ করতে হবে। এক্ষেত্রে সহপাঠীর মৌখিক তথ্য-নির্ভর না হওয়া বাঞ্চনীয়।

 

  • প্রাত্যহিক জীবনে জল প্রয়োজনীয়। অতএব পানীয় জল সংগ্রহ ও শৌচালয়গুলি ব্যবহার করার সময় জল অপচয় বন্ধ করার দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। বাড়িতে এ ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে এবং সমাজে জল সংরক্ষণের বার্তা পৌঁছে দিতে হবে।

 

  • শিক্ষা প্রাঙ্গনের সবুজায়নের প্রতি যত্নবান হতে হবে। তারা সর্বদা নিজেদের পারিপার্শ্বিক পরিবেশ রক্ষার্থে সচেতন হবে। নিজেদের বাড়িতে এবং চারিপাশে চারাগাছ লাগাতে যত্নবান হবে।

 

  • শিক্ষাপ্রাঙ্গনের অভ্যন্তরে চলমান দূরাভাষ ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।

 

  • নির্ধারিত পাঠক্রম এবং অন্যান্য কার্যাবলী অনুসরণ করার জন্য কনিষ্ঠ সহপাঠীদের পরামর্শ দিতে হবে।

 

  • সামাজিক প্রয়োজনে অত্যন্ত অনুভূতিশীল মনোভাব রাখতে হবে।


“ আমাদের এখন সেই শিক্ষাই সর্বাগ্রে প্রয়োজন যার দ্বারা চরিত্র গঠন হয়, মনের শক্তি বাড়ে,বৌদ্ধিক বিকাশ হয় এবং সর্বোপরি যে শিক্ষা মানুষকে নিজের পায়ে দাঁড়াতে শেখায়। “
-স্বামী বিবেকানন্দ